- 🇧🇩 ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নবীনগর আসনে বিএনপি'র মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রচার-প্রচারণা
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে (যা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী নির্বাচন হিসেবে গণ্য হতে পারে) কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বিরামহীন প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। নবীনগর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম, এবং হাটবাজারেই তাদের ব্যানার, পোস্টার ও গণসংযোগে মুখরিত। প্রায় ১৫ জন প্রার্থী ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে শক্তিশালী প্রচারণা চালাচ্ছেন।
(১ নাম্বারে আছেন)
নবীনগর আসনে বিএনপি'র মনোনয়ন দৌড়ে যারা আলোচনায় রয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম:
সায়েদুল হক সাঈদ: কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের সাবেক জিএস ছিলেন।নবীনগর মহিলা ডিগ্রী কলেজের সভাপতি দায়িত্ব পালন করছেন, নবীনগরে দলের পক্ষে অফিস স্থাপন করে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালাচ্ছেন। মাঠের রাজনীতি ও কেন্দ্রে তার সংযোগ রয়েছে।
(২নাম্বারে আছেন)
কাজী নাজমুল হোসেন তাপস: তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জনপ্রিয়। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তার পিতা সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী আনোয়ার হোসেনের অবর্তমানে উপজেলা বিএনপি'র রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
(৩ নাম্বারে আছেন)
এডভোকেট এম এ মান্নান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এবং নবীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি একজন প্রবীণ ও ভদ্র রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত এবং ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে বিএনপি'র রাজনীতিতে জড়িত। দলের পদবি ও সিনিয়রিটি তাকে এগিয়ে রাখছে।
(৪নাম্বারে আছেন)
তকদির হোসেন মোঃ জসীম: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, কৃষকদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর উপজেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করে রেখেছেন।
(৫নাম্বারে আছেন)
সালাহউদ্দিন ভূইয়া শিশির: জাতীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
(৬নাম্বারে আছেন)
মেজর জেনারেল (অবঃ) কামরুজ্জামান: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল। রাজনীতির কেন্দ্রীয় সমীকরণে হাই-কমান্ডের সিদ্ধান্তে তার নাম আলোচনায় আছে।
(৭নাম্বারে আছেন)
কে এম আলমগীর হোসেন (কে এম আলমগীর ইকবাল): একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সফল উদ্যোক্তা। দীর্ঘ চার যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।
(৮নাম্বারে আছেন)
আলহাজ্ব নাজমুল করিম: নবীনগর উপজেলা বিএনপির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক। তিনি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে জনগণের ভোটে নবীনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তৃণমূলের সাথে তার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে।
(৯নাম্বারে আছেন)
অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী রাজনীতির সাথে কেন্দ্রীয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকায় তিনি হাইকমান্ডের নজরে আসতে পারেন।
(১০নাম্বারে আছেন)
মোহাম্মদ আলী আজ্জম জালাল: নবীনগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি। দলের একজন নিবেদিত ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে তিনি কারাবরণসহ বহু ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
(১১নাম্বারে আছেন)
স্থপতি মোহাম্মাদ আবদুল আউয়াল: কেন্দ্রীয়ভাবে বিএনপি'র রাজনীতির সাথে জড়িত এবং কেন্দ্রীয় সর্বোচ্চ নেতার সাথে যোগাযোগের গুঞ্জন রয়েছে।
আব্দুল্লা আল বাকী: ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি বিগত ১৭ বছরে প্রায় ১৭শত নেতাকর্মীকে আদালতে বিনা পয়সায় জামিন করিয়েছেন।
(১২নাম্বারে আছেন)
অ্যাডভোকেট রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু: সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। তরুণ প্রজন্মের ক্লিন ইমেজের জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে তিনি পরিচিত।
(১৩নাম্বারে আছেন)
রাজিব আহসান ভূইয়া: জাপানে কর্মরত এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সম্পর্কে অভিজ্ঞ। তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন এবং নবীনগরের বঞ্চিত পাওনা (যেমন গ্যাস) নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
(১৪নাম্বারে আছেন)
নায়লা ইসলাম: অধ্যাপক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসন থেকে এখন পর্যন্ত একক সরাসরি মহিলা প্রার্থী। ছাত্র জীবন থেকে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেত্রী চাকরির মায়া ত্যাগ করে রাজনীতি করায় একাধিকবার চাকরি হারিয়েছেন।