“আমি বলব স্পষ্টভাবে — মন্ত্রিত্ব ভাগাভাগি করার প্রস্তাবে আমি কখনো সম্মত হয়েছি না।
খন্দকার মোশতাকের সময়ে যেমন মন্ত্রিত্ব-বিন্যাস হয়ে থাকতে দেখা গেছে, আমি সেই রকম বিনিময়ে অংশগ্রহণ করি নাই।
আমার কাছে রাজনৈতিক মর্যাদা, দল-সংগঠনের স্বাতন্ত্র্য, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা সবকিছুই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
আমি কখনোই এমন পরিবেশে আসতে রাজি হয়নি যেখানে ক্ষমতা ভাগাভাগি করা হয় এবং মানুষ-সমাজ হয় টুকরা করা।
আমার পথ অন্য — আমি চাই একটি কোম্প্রিহেনসিভ রাজনৈতিক ভাবনা, যেখানে জনবান্ধব নীতি, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা হবে মূল ভিত্তি।
সেজন্য, আমি ঘোষণা করছি — আমি মন্ত্রিত্ব ভাগাভাগির খেলায় অংশগ্রহণ করিনি, করবও না।”
এই বক্তব্য এসেছে দেশের রাজনৈতিক এক গুরুত্বপূর্ণ সময়কালে, যখন বিভিন্ন দল ও দলীয় নেতারা মন্ত্রিত্ব নিয়োগ, ক্ষমতার বিনিময় ও দল-সংগঠন নিয়ে বিতর্কে জড়াচ্ছে।
খন্দকার মোশতাকের নাম উল্লেখ করে এসব কথা বলার মাধ্যমে হাসনাত একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছেন — তিনি বলছেন ক্ষমতার ভাগাভাগি নয়, স্বাতন্ত্র্য ও নৈতিক রাজনীতি চান।
এই বক্তব্য শুধু একটি মন্তব্য নয় — এটি রাজনৈতিক সংস্কার ও দলীয় নীতির প্রশ্নও তুলছে।
যখন ক্ষমতার ভাগাভাগি এবং বিনিময় আধুনিক রাজনীতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন এমন একটি অবস্থান নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
হাসনাত আব্দুল্লাহর দেওয়া এই বক্তব্য হতে পারে রাজনীতিতে নৈতিকতার এক নতুন আহ্বান।
https://youtu.be/U6Ugkak019I?si=z_DVkFKMNDgxOvic