
সাম্মাম চাষের সঠিক পদ্ধতি অনেকেরই জানা নেই। বাংলাদেশে সাম্মাম নতুন একটি ফল। নতুন ফল হলেও এটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অনেকেই সুস্বাদু এই ফলটি চাষে আগ্রহী থাকলেও এর চাষ পদ্ধতি না জানার কারণে চাষ করতে পারেন না। চলুন জেনে নেই সুস্বাদু ফল সাম্মাম চাষের পদ্ধতি সম্পর্কে-
সাম্মাম বা রকমেলন চাষ করতে প্রথমে ৪-৫ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। জমি প্রস্তুতের পর বিঘা প্রতি প্রায় ৫ টন গোবর ও ২৫০ কেজি জিপসাম প্রয়োগ করে ২ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। এরপর বেড তৈরি করে, মাচা বা জমিতে লতানো পদ্ধতিতে চাষ করা যায়, যেখানে ১৫ দিন পর থেকেই ফল আসতে শুরু করে এবং ৩ মাসের মধ্যে ফল পেকে যায়।
একটি ‘টেবিল’ বা চার্ট অনুসরণ করে কীটনাশক ও সারের ৫০% জমিতে দিতে হবে এবং শেষ চাষ দিয়ে বেড তৈরি করতে হবে।
ক্ষেতের চারপাশে ১ ফিট চওড়া নালা রাখতে হবে। সাম্মাম ফল মাটির মধ্যে বা মাচা তৈরি করে চাষ করা যায়।
প্রস্তুত করা বেডে নির্দিষ্ট দূরত্বে চারা রোপণ করতে হবে। রোপণের দেড় মাসের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। তিন মাসের মধ্যেই সাম্মাম পরিপক্ক হয়ে যায়। ফলগুলি সাধারণত গোলাকার ও জালযুক্ত হয়, যেমনটি বাঁশের ট্রেলিসের উপর দেখা যায়।
সাম্মাম ফলটি মরুভূমির ফল হলেও বাংলাদেশে এর বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়েছে।
এর বৈশ্বিক নামগুলো হলো রক মেলন, মিষ্টি মেলন, কস্তুরী মেলন এবং সৌদি আরবে এটি সাম্মাম নামে পরিচিত।
এই ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং হজমে সহায়ক, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।











