জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আগামী ১৩ নভেম্বর মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত রয়েছে। এদিনকে ঘিরে নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রায়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গুজব, প্রচারণা ও উত্তেজনাকর বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে বলে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে। কিছু গ্রুপ রাজধানীতে গণসমাবেশ, লকডাউন, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার প্রচারণা চালাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ৫ নভেম্বর প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তার পর এই শঙ্কা আরও বেড়েছে। ভিডিওটিতে ১৩ নভেম্বর ঢাকায় লকডাউন পালনের আহ্বান জানানো হয়, যা সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দেয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য নাশকতা রোধে:
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান নিয়ে হঠাৎ ঝটিকা মিছিল বা উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। তবে বড় ধরনের সংঘবদ্ধ কর্মসূচির সুযোগ খুব কম, কারণ পুলিশ, র্যাব ও সেনা সদস্যরা উচ্চ সতর্কতায় রয়েছেন।
সাইবার ইউনিট জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা উসকানিমূলক কনটেন্ট ছড়ানো আইডিগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে। এর অনেকগুলোই দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হওয়ায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
“গুজবে কান দেওয়ার সুযোগ নেই। যে কোনো পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
“কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের কোনো কর্মসূচি পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজন হলে গ্রেপ্তার করা হবে।”
“পরিকল্পিতভাবে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশ প্রস্তুত আছে; কোনো নাশকতা সহ্য করা হবে না।”
“সারা দেশে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”