কিশোরগঞ্জ হাওরে মাছের সংকট

কিশোরগঞ্জ হাওরে মাছের সংকট জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেছেন, মাছের পরিমাণ বৃদ্ধিতে ১৪ টি স্থায়ী মৎস অভয়াশ্রম বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

হাওরের মাছ খেতে সুস্বাদু এই খ্যাতি দেশজুড়ে। এ বছর ভরা বর্ষাতেও হাওরে পানি কম থাকায় বড় মাছ তেমন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ছোট ছোট অসংখ্য দেশী পাওয়া যাচ্ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেছেন, মাছের পরিমাণ বৃদ্ধিতে ১৪ টি স্থায়ী মৎস অভয়াশ্রম বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

হাওরে এখন বর্ষাকাল। বর্ষাকালে হাওরে বোয়াল, আইড়, রুই, কাতলা, কালবাউস, পাবদা, কই, মাগুর, শিং, চিংড়ি, রিটা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। তবে এ বছর ভরা বর্ষাতেও হাওরে পানি কম হওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় মাছের বড় মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে দেশীয় ছোট মাছ পাওয়া যাচ্ছে।
এ বছর কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের বালিখলা মাছ বাজারে বড় মাছ না পেয়ে হতাশ ক্রেতারা। দামও অনান্য বছরের তুলনায় বেশি ।

বালিখলা আড়ৎদার সমিতির সভাপতি জামাল মিয়া জানান বালিখলা মাছ বাজারে এই বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিন কোটি টাকার মাছ কেনাবেচা হলেও এবার মাছ কম থাকায় প্রতিদিন ৩০-৪০ লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হচ্ছে।

এদিকে কিশোরগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান হাওরে মাছের পরিমাণ বৃদ্ধিতে ১৪টি স্থায়ী মৎস অভয়াশ্রম বাড়াতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অবৈধ জাল বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভরা বর্ষায় এমন কম পানি আর কখনো দেখিনি হাওরবাসী।

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

Facebook
WhatsApp
X
Telegram

মন্তব্য করুন