
নোয়াখালী-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেছেন, তিনি ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরে যুক্ত থাকলেও সে সময় বিএনপির অস্তিত্বই ছিল না। তাঁর এমন বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি বলেন,
“জামায়াতের রোকন বা সদস্য কখনোই ছিলাম না। তবে প্রায় ৪২ বছর আগে, ১৯৭৭ সালে ছাত্রজীবনে শিবির করেছিলাম। তখন তো ছাত্রদল আর বিএনপির জন্মই হয়নি।”
তিনি আরও বলেন,
“বিএনপির অনেক নেতা অন্য দল থেকে এসেছে। মহাসচিব মির্জা ফখরুলও অন্য দল থেকে আসেন। ওবায়দুর রহমান আওয়ামী লীগ থেকে এসে মহাসচিব হন, মান্নান ভূঁইয়া ন্যাপ থেকে আসেন। নোয়াখালীতেও বরকত উল্যাহ বুলু, জয়নুল আবেদীন ফারুক, শাহজাহান—এদের কেউই বিএনপির প্রোডাক্ট না। তাহলে এত লোক যখন করতে পারে, আমাকে নিয়ে এত প্রশ্ন কেন?”
প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ
বক্তব্যটি ভাইরাল হওয়ার পর নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার ও দল থেকে বহিষ্কার দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
শনিবার বিকেলে ও সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলায় এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
‘বিএনপির পরিবারবর্গ’ ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল কবিরহাট সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে কবিরহাট বাজারে সমাবেশে রূপ নেয়।
সমাবেশে বক্তৃতা করেন—
-
মিজানুর রহমান হারুন, সাবেক সহসভাপতি, কবিরহাট উপজেলা ছাত্রদল
-
নুর উদ্দিন, সাবেক সম্পাদক, কবিরহাট পৌর বিএনপি
এসময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন,
“কবিরহাট উপজেলা বিএনপির প্রায় সবাই আজ আমার সঙ্গে আলোচনা করছেন। এ বিষয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। প্রত্যেকের অধিকার আছে তাদের মত প্রকাশ করার।”











