সৌদির সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন মঠবাড়িয়ার ৮ শতাধিক পরিবারের

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ছয় গ্রামের ৮ শতাধিক
পরিবার রোববার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।

সাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খোন্দকার বাড়ি ও নয়টায় কচুবাড়িয়া গ্রামের
হাজি ওয়াহেদ আলী হাওলাদার বাড়িতে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ইমামতি করেন মোহাম্মদ হাজী আমির আলী মুন্সী ও মাওলানা আলী হায়দার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর গ্রামের মরহুম হজরত মাওলানা জান শরীফ ওরফে শাহে আহম্মদ আলীর অনুসারী হিসেবে উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের পূর্ব সাপলেজা, ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, খেতাছিড়া, বাদুরতলী ও চড়কগাছিয়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

সুরেশ্বর পীরের অনুসারী মিরাজ খন্দকার বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও আজ সৌদি আরবের সঙ্গেই ঈদ উদযাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কচুবাড়িয়া গ্রামের প্রয়াত ওয়াহেদ আলী হাওলাদার, শীতল খাঁ, হাজি সমিরুদ্দিন ১৮শ শতকের শেষ দিকে সুরেশ্বর গ্রামের পির মরহুম হজরত মাওলানা জান শরীফকে কচুবাড়িয়ায় নিয়ে আসেন। সেই থেকে কচুবাড়িয়া ও ভাইজোড়া গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রথম রোজা রাখা ও ঈদ উদযাপন শুরু হয়।
ধীরে ধীরে তাদের অনুসারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

১২৫ নং ভাইজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফারুক খন্দকার সাপলেজা ইউনিয়ন এর ছয় গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, এই গ্রামে সুরেশ্বর পিরের অনুসারীরা রোববার ঈদ পালন করেন। রোজার শেষে আজ ঈদের আনন্দের দিন।

 

Facebook
WhatsApp
X
Telegram

মন্তব্য করুন